- জাতীয়, নরসিংদীর খবর, পলাশ, বেলাবো, মনোহরদী, রায়পুরা, লিড নিউজ, শিবপুর, সারাদেশ

অবুঝ দুই সন্তানের অসহায় জননীর বিরুদ্ধে অসত্য বানোয়াট অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বামী ও স্বামীর পরিবারের নির্যাতনের শিকার তাহমিনা বেগম তার দুই সন্তান নিয়ে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন। নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আদিয়াবাদ গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে তাহমিনা বেগম ৪ অক্টোবর
বিকেলে জেলা সদরে অবস্থিত মালঞ্চ ফাস্ট ফুড রেস্টুরেন্টে এক সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন যে, ২০০৬ সালে একই উজেলার পলাশতলী গ্রামের তাইজুল ইসলাম মোল্লার সৌদি প্রবাসী পুত্র মোঃ মোশারফ হোসেন মোল্লার সাথে তার বিয়ে হয়।
বিয়ের পর ২০০৭ সাল থেকে দীর্ঘ ৯ বছর যাবৎ সৌদী আরবে তার স্বামীর সাথে করেন। তাদের মারুফ হোসেন ফয়সাল(১২) ও সুমাইয়া হোসেন তুশী (১১) নামের দুই সন্তান রয়েছে। তাদের মধ্যে ফয়সাল প্রতিবন্ধী। সৌদি থাকা কালে তাহমিনা তার স্বামী মোশারফ হোসেন মোল্লা কর্তৃক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। নির্যাতনের কারণে তার ছেলেটি প্রতিবন্ধী হয়ে যায়। এ অবস্থায় অতীষ্ট হয়ে যানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি ২০১৬ সালে সৌদিআরব থেকে তার বাপের বাড়িতে ফিরে আসেন এবং তার স্বামীকে তালাক প্রদান করেন। তালাক দেয়ার পর তার স্বামীর বোন ফারজানা আক্তার মিথ্যা ও মনগড়া তথ্য দিয়ে গত ২ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন-যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং এঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবী করেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তাহমিনা বেগম বলেন, আমি সৌদি আরবে থাকাকালীন সেখানে নয় বছর চাকুরী করেছি। চাকুরীর সকল টাকা-পয়সা, সোনাদানা সবকিছু স্বামীর হাতে তুলে দিয়েছিলাম। সেই টাকা-পয়সা দিয়ে নরসিংদীতে দুই শতাংশ জমি কিনে বাড়ি করেছিলাম স্বামীর নামে। আর মোশারফ হোসেন মোল্লা সেখানে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আমাকে নির্যাতনের পর নির্যাতন চালাতো। সেখানেও সে পলাতক অবস্থায় দিন যাপন করছে।
তাহমিনা বেগমের শিশু পুত্র কন্যা মাদকাসক্ত বাবার সাথে যেতে অস্বীকৃতি জানান।